বারুইপুরে বালিকা ধর্ষণ ও খুন অতন্ত্য নিন্দনিয় কিন্তু তা বলে এটাকে কেন্দ্র করে রাজনীতি বা সাম্প্রদায়িকতা করবেন না।

বারুইপুরের এই নৃশংস ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত দ্রুত শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
কিন্তু এই ঘটনাকে নিয়ে বামপন্থি, তৃনমূল ও কিছু সাম্প্রদায়িক শক্তি ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে।
এই ছেলেটি বারুইপুরের বিজেপি কর্মী, শান্তনু মন্ডল, ছেলেটি নিজে শিশু নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত অপরাধীকে ধরে এনে থানায় জমা করছে, আর সিপিএমের জন্তুগুলোর মতে এ দোষী, এ নাকি ধর্ষকদের ছাড়াতে গিয়েছে...
তৃনমূল সিপিএমের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সবাই সজাগ থাকুন।
আমাদের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মত অমানুষ নন যে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটার পর বলবেন, “এমন ঘটনা তো কতই হয়!”
আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির মত অসংবেদনশীল নন যে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটার পর বলবেন, “মেয়েটির লাভ অ্যাফেয়ার ছিল!”
অন্যায়ের প্রতি জিরো টলারেন্স কারন
আমাদের নতুন মুখ্যমন্ত্রী আমাদের গর্ব নামটা মনে রাখবেন, শুভেন্দু আধিকারি।
এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকেই দ্রুতগতিতে একাধিক জায়গায় তল্লাশি ও অভিযান চালানো হয়।
সেই কারনেই
বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় তদন্তে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে বারুইপুর বাজার এলাকা থেকে আনন্দ সর্দার নামে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে আনন্দ সর্দারকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। তার খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত এসটিএফ-এর সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি, আরও ৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।
বামপন্থি, তৃনমূল ও কিছু সাম্প্রদায়িক শক্তি তাদের উস্কানিতে দোষী না নির্দোষ সেটা প্রমান হওয়ার আগেই ইন্দ্রজিৎ তাঁতি/মণ্ডল কে পিটিয়ে মারা হল। বারুইপুর রেলগেট এর নিকট রেললাইনে বোল্ডার ফেলে রাখা হল। যদি একটি দুর্ঘটনা হত তাহলে তো ধর্ম বর্ণ রাজনৈতিক রং নির্বিশেষে সাধারন মানুষই মারা যেত।
তাই বলি অকারনে
রাজনিতি
না খুঁজে
সরকার
কে তার কাজ করতে
দিন।
#SuvenduAdhikari #BaruipurNews #RapeCase
#arrested #kolkata
