আবার লাভ জেহাদ?? সনাতনী হিন্দু কন্যারা/বোনেরা/মাতারা সাবধান আব্দুল/আসলামদের থেকে, এরা সবাই প্রায় একই হয়।।

গুজরাটের রাজকোটে আম আদমি পার্টির
(আপ) এক প্রাক্তন পুর-নির্বাচনী প্রার্থীর (২৩) মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশি তদন্ত শুরু
হয়েছে। ওই তরুণীর পরিবার তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী ও সঙ্গীর আত্মীয়দের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময়
ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে।
বিজেপি নেতা তেজিন্দর বাগ্গা
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ
(সাবেক টুইটার) এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করার পর বিষয়টি জাতীয় স্তরেও
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তিনি ওই তরুণীর বাবার কাছে পাঠানো শেষ
বার্তাটির কথা উল্লেখ করেন এবং পরিবারের করা অভিযোগগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। তাঁর
পোস্টে করা দাবিগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হয়নি এবং বর্তমানে তা চলমান পুলিশি
তদন্তের অংশ।
পুলিশ মৃত তরুণীর পরিচয় নন্দিনী আনন্দভাই বোসামিয়া হিসেবে নিশ্চিত করেছে। তিনি জেতপুরের নভাগড়ের বাসিন্দা ছিলেন এবং রাজকোটের গোন্ডাল রোডে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর মৃতদেহ ফরেনসিক ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং তদন্তকারীরা সাক্ষীদের বয়ান রেকর্ড ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন।
রাজকোটের আম আদমি পার্টির (আপ)
তরুণী নেত্রী, নন্দিনী বোসামিয়া। বয়স ছিল মাত্র ২৩ বছর।
আসলাম হুসেন সামা নামের এক বিবাহিত মুসলিম
যুবকের প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। অন্যান্য সাধারণ তরুণীর মতোই তারও বিশ্বাস ছিল, তার আব্দুল (অর্থাৎ আসলাম) আর সবার চেয়ে আলাদা। সেই বিশ্বাসের টানেই
পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে, সব বাধা উপেক্ষা করে ঘর ছেড়েছিলেন আসলামের হাত ধরে।
হ্যাঁ, নির্মম বাস্তবতাকে জেনেও এক মুসলিম বিবাহিত পুরুষের সাথে লিভ-ইন সম্পর্কে জড়াতে দ্বিধা করেননি
তিনি... আজ সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
মৃত্যুর আগে শেষ চিঠিতে বাবার
উদ্দেশ্যে লিখে গেছেন: "পাপা, আমি জীবনের যুদ্ধে হেরে গেলাম।"পরিবারের অভিযোগ, আসলাম এবং তার বাড়ির লোকজন নন্দিনীর ওপর মানসিক ও শারীরিক
নির্যাতন চালাত। তার গহনাগাটি বন্ধক রাখা হয়েছিল এবং এমনকি তাকে জরায়ু
অস্ত্রোপচারের মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য করা হয়েছিল।
এই নন্দিনীই ২০২৫ সালের পৌরসভা
নির্বাচনে আম আদমি পার্টির টিকিটে লড়েছিলেন।
লাভ জেহাদ নাকি আত্মহত্যা আপনারাই বিচার করুন।
কিন্তু সনাতনী হিন্দু কন্যারা/বোনেরা/মাতারা মনে রাখবেন শিক্ষা প্রাঙ্গন, কর্মক্ষেত্র, সামাজিক জগত বা রাজনিতি ইত্যাদি যেখানেই হোক সাবধানে থাকবেন আব্দুল/আসলামদের থেকে, এরা সকলেই প্রায়
একই রকম হয়।।
